দাম নিয়ন্ত্রণে আমদানির অনুমতি দেওয়ায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দুদিন ধরে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি অব্যাহত আছে। আমদানির ফলে দাম অর্ধেকে নেমেছে। এখন ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে মানুষের মাঝে। আমদানি অব্যাহত থাকলে দাম আরও কমবে বলে জানিয়েছেন আমদানিকারকরা।
গত সোমবার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ৪টি ট্রাকে ২৯ টন ৪৪০ কেজি কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে। মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিন বন্দর দিয়ে ১১টি ট্রাকে ৬৫ টন ৪৪০ কেজি আমদানি হয়েছে। বন্দরে প্রতি কেজি ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে আমদানির প্রভাব পড়েছে হিলি বাজারে। একদিনের ব্যবধানে দাম কমেছে ৯০ টাকা। সোমবার ২৪০ টাকায় বিক্রি হলেও মঙ্গলবার বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকায়।
হিলি বাজারে মরিচ কিনতে আসা সিরাজুল ইসলাম জানান, হিলি বাজারে সোমবার কিনেছিলাম ২৪০ টাকায়। মঙ্গলবার ১৫০ টাকা কেজি দরে কিনেছি। আরও দুই-একদিন আমদানি হলে দাম ১০০ টাকার নিচে চলে আসবে। তখন আমাদের জন্য অনেক সুবিধা হবে।
মনোয়ার হোসেন বলেন, ভারত থেকে আমদানি অব্যাহত থাকলে দেশের বাজারে দাম কমে যাবে। ক্রেতারা চায় যে বাজার কম থাক, তাতে করে মানুষের সুবিধা হয়। আবার যখনই এলসি বন্ধ হয়ে যায়, তখন হু হু করে দাম বাড়তে থাকে। আর ভারত থেকে আমদানি স্বাভাবিক থাকলে বাজার সহনীয় হয়ে যায়।
হিলি বাজারের কাঁচা মরিচ বিক্রেতা বিপ্লব শেখ বলেন, সরবরাহ কম থাকায় দাম বেশ কিছু দিন ধরেই বাড়তি ছিল। সোমবার আমরা বিক্রি করেছি ২৪০ টাকায়। মঙ্গলবার বিক্রি করেছি ১৫০ টাকা কেজি। যদি আরও আমদানি হয়, সে ক্ষেত্রে দাম আরও কমার আশা আছে।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক আনোয়ার হোসেন জানান, এখন পর্যন্ত হিলি স্থলবন্দরের ৮৫টি আইপির বিপরীতে ৩৮ হাজার ৯১০ টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি পেয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বন্দর থেকে খালাস করে বাজারজাত করেছেন। এতে দেশের বাজারে দাম কমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন :