সবজির বাজারে আগুন, ১০০ টাকার নিচে মিলছে না বেশিরভাগ পণ্য

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৮ মে, ২০২৬, ১২:৫২ দুপুর

রাজধানীর কাঁচাবাজারে আবারও ঊর্ধ্বমুখী নিত্যপণ্যের দাম। টানা বৃষ্টি ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির অজুহাতে সবজির পাশাপাশি মুরগি ও গরুর মাংসের দামও বেড়েছে। এতে চাপে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সবজির কেজি এখন ৮০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে কাঁকরোল, শসা ও বেগুন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৃষ্টির কারণে সরবরাহ কমে যাওয়া এবং জ্বালানি তেলের প্রভাবে পরিবহন খরচ বাড়ায় বাজারে এই অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে পটল প্রতি কেজি ৮০ টাকা, কাঁকরোল ১২০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা এবং লম্বা বেগুন ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি শসার কেজি ১২০ টাকা, হাইব্রিড শসা ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ঝিঙা ও চিচিঙ্গা ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া ধুন্দল ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৭০ টাকা এবং জালি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের কেজি উঠেছে ১৬০ টাকায়। পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি এবং কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।

রামপুরা বাজারে কেনাকাটা করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী সাইদুর রহমান বলেন, এখন বাজারে ৮০ টাকার নিচে কোনো সবজি পাওয়া যাচ্ছে না। কিছুদিন আগেও কম দামে পাওয়া পেঁপেও এখন ৮০ টাকা কেজি। শসা, করলা, বেগুন ও কাঁকরোলের দাম ১২০ টাকা হওয়ায় সাধারণ মানুষের জন্য বাজার করা কঠিন হয়ে গেছে।

সবজির পাশাপাশি মুরগি ও মাংসের বাজারেও বেড়েছে দাম। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২০০ টাকায়, যা আগে ছিল ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। সোনালি মুরগির কেজি ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা এবং কালারবার্ড বা হাইব্রিড সোনালি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকায়। অন্যদিকে গরুর মাংসের দাম কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে এখন ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায় উঠেছে।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাসে বেগুনের দাম বেড়েছে ৮২ শতাংশ, কাঁচা মরিচ ৬৭ শতাংশ এবং শসার দাম ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময়ে ডিমের দামও হালিপ্রতি ১৫ শতাংশ বেড়েছে। আরেক ক্রেতা অমিত হাসান বলেন, শীতকালে কিছুদিন বাজারে স্বস্তি ছিল। কিন্তু এখন দিন যত যাচ্ছে, সংসারের খরচ ততই বাড়ছে।

Link copied!