ঢাকা বুধবার, ০৭ জানুয়ারি ২০২৬

আইন বহির্ভূত হওয়ায় কলাপাড়ায় মহিষের লড়াই বন্ধ করেদিল উপজেলা প্রশাসন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:২৩ সকাল

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি।। শীতের সকাল, চারিদিকে কুয়াশাচ্ছন্ন। পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর গ্রামে টোল সংলগ্ন এলাকায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্য মহিষের লাড়াইয়ের আয়োজন করে স্থানীয় যুব সমাজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পরে দুই প্রাণীর লড়াই আয়োজনের খবর। রবিবার খুব সকালে টিয়াখালি ইউনিয়নের সোহেল মিরা এবং চাকামাইয়া ইউনিয়নের মজিবর ফকিরের দু'টি বিশাল দেহের বলি মহিষ নিয়ে হাজির হন লড়াইয়ের স্থানে। সব কিছুই ছিল প্রস্তুত। কিন্তু হাজারো দর্শক উপস্থিত হলেও মহিষের লড়াই আয়োজন করতে পারেননি আয়োজকরা।
 
জানা গেছে, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা.মারুফ বিল্লাহ উপস্থিত হয়ে বন্ধ করে দেয় মহিষের লড়াই। এ সময় এনিমেল লাভারস অফ পটুয়াখালীর কলাপাড়ার শাখার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সেখানে উপস্থিত হন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদীক। ফলে হতাশাগ্রস্থ হয়ে ফিরে যেতে হয়েছে দর্শকদের। মইষের লড়াই দেখতে আসা সাইয়েদ মিয়া বলেন, মহিষের লড়াই দেখতে এলাম। কিন্তু প্রশাসন এসে দেখলাম তা বন্ধ। তাই আমরা বাড়ি ফিরে যাচ্ছি। কামরুজ্জামান বলেন, মহিষের লড়াইয়ের জন্য আগে প্রশাসনের অনুমতি নেওয়া উচিত ছিল।
 
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মারুফ বিল্লাহ খান বলেন, ডিজি স্যারের নির্দেশনায় আমরা এখানে এসে মহিষের লড়াই বন্ধ করে দিয়েছি। এখানে আমাদের উপজেলা প্রশাসন ও এনিমেল লাভারস অফ পটুয়াখালীর কলাপাড়া শাখার সদস্যরা সহযোগিতা করেছে। প্রাণিকল্যাণ আইনে কোনো প্রাণীর লড়াই আয়োজন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
 
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদিক বলেন, প্রাণীদের লড়াই করানো আইনত নিষিদ্ধ। এটি প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা হিসেবে গণ্য হয় এবং এতে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যায়। তাই আমরা লড়াইটি বন্ধ করে দিয়েছি। এখানের স্থানীয় মানুষও আমাদের সহযোগিতা করেছে। ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের আয়োজন করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Link copied!